আপনি জীবনে কি হবেন তা আপনার বুদ্ধির উপর নির্ভর করেনা, নির্ভর করেনা আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, পারিবারিক পটভূমিকা বা আর্থিক অবস্থার ওপরেও, তাহলে তা কি?


আপনি জীবনে কি হবেন তা আপনার বুদ্ধির উপর নির্ভর করেনা, নির্ভর করেনা আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, পারিবারিক পটভূমিকা বা আর্থিক অবস্থার ওপরেও!  শুধু মাত্র একটি গুণের উপর সবকিছু নির্ভর করছে, আর তা হল "অধ্যবসায় বা মাটি কামড়ে পড়ে থাকার অভ্যাস।"

যদি এই গুণটি আপনার থাকে, তাহলে পৃথিবীতে কোনো কিছুই আপনার অসাধ্য নয়। আর যদি এই গুণটি না থাকে, তাহলে জানবেন সাফল্য চিরকালই আপনার কাছে অধরা থেকে যাবে।



একটা উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টা সম্পর্কে একটু পরিষ্কার হয়ে যায়।
চীনে একধরনের বাঁশ আছে, যাদের লাগানোর প্রথম চার বছর পানি, সার ইত্যাদি দিতে হয়।
তবে এসময় বাঁশ গাছটি বাড়ে না। কিন্তু পঞ্চম বছরে বাঁশগাছটি হঠাৎ ছয় সাপ্তাহে ৯০ ফুট লম্বা হয়ে যায়।
তাহলে কি বলা যাবে যে বাঁশ গাছটি বাড়তে পাঁচ বছর সময় লেগেছে? বাহিরে অবশ্য কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন ছিলো না। কীভাবে শিকড় চালিয়ে শক্তি সংগ্রহ করছে তা দেখা যায় নি, আবার পানি এবং সার না দিলেও গাছটি বাঁচত না। প্রকৃতি থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিৎ। ধৈর্য ধরুন, বিশ্বাস রাখুন, এবং সঠিকভাবে কাজ করে যান।
ফলাফল দৃশ্যমান না হলেও কিছু একটা ঘটবেই।

অধ্যবসায়ের সঙ্গে চাই নমনীয়তাও। কোন ফললাভ হচ্ছেনা যেখানে সেখানেও বোকার মতো চেষ্টা করে যাওয়ার নাম কিন্তু অধ্যবসায় নয়। এর নাম গোয়ার্তুমি, যা মূর্খতারই নামান্তর। যদি দেখেন যে কোন কাজে লাভ হচ্ছে না,
তাহলে আর অকারণ চেষ্টায় কালক্ষেপ করবেন না। বরং অন্য কোন কার্যকর পথ খোঁজার চেষ্টা করুন।
নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করুন।

কোন পরিবেশ অসহ্য মনে হলে ভাববেন আপনার চাইতেও খারাপ পরিবেশে কতো মানুষ দিন কাটাচ্ছেন অবলীলায়। যারা আজকে অনেক উপরে উঠেগেছেন তারাও কোন না কোন কঠিন পরিস্থিতি পাড়িয়ে এসেছেন। ওরা যখন পারছে, আপনিও পারবেন অবশ্যই। পরিবেশ পরিস্থিতি যতোই কষ্টকর হোক, কষ্ট নিয়ে যত বেশী ভাববেন, ততো বাড়বে কষ্টের অনুভূতি। তার চেয়ে পরিবেশের মধ্যে থেকেই আনন্দ খুঁজে নিতে শিখুন।
কষ্ট কমবে, কমবে কষ্ট নিয়ে টেনশন। চলে যাবে প্রতিকূল পরিবেশ পরিস্থিতির দম বন্ধ করা অনুভব....../

Share this

Related Posts

Latest
Previous
Next Post »